ঐতিহাসিক ওই রায়ের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত আমদানিকারকদের জন্য পরিশোধিত অর্থ ফেরত পাওয়ার পথ প্রশস্ত হয়েছে। মার্কিন কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশন (সিবিপি) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ৮টা থেকে একটি অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে অর্থ ফেরতের আবেদন শুরু হয়েছে। খবর রয়টার্স
আদালতের রায় ও প্রেক্ষাপট
গত ২০ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট এক রায়ে জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত বছরের এপ্রিলে কংগ্রেসের কর নির্ধারণী ক্ষমতা খর্ব করে অবৈধভাবে নতুন আমদানি শুল্ক আরোপ করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট বাণিজ্য ঘাটতিকে ‘জাতীয় জরুরি অবস্থা’ হিসেবে অভিহিত করে ১৯৭৭ সালের একটি জরুরি ক্ষমতা আইন ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় সব দেশের পণ্যের ওপর ব্যাপক শুল্ক আরোপ করেন। তবে আদালত এ পদক্ষেপকে অসাংবিধানিক বলে রায় দেন। পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আদালতের বিচারক নির্ধারণ করেন, ওই আইনের অধীনে দেয়া শুল্কের অর্থ ফেরত পাওয়ার যোগ্য।
সিবিপির তথ্য অনুযায়ী, এ সময় ৩ লাখ ৩০ হাজারের বেশি আমদানিকারক ৫ কোটি ৩০ লাখের বেশি চালানের বিপরীতে প্রায় ১৬ হাজার ৬০০ কোটি ডলার শুল্ক দিয়েছেন।
অর্থ ফেরত পাওয়ার প্রক্রিয়া
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থ ফেরতের জন্য কোম্পানিগুলোকে একটি নির্দিষ্ট ঘোষণাপত্র জমা দিতে হবে। সেখানে আমদানীকৃত পণ্যের বিস্তারিত তালিকা থাকতে হবে। সিবিপি কোনো আবেদন অনুমোদন করলে অর্থ হাতে পেতে ৬০-৯০ দিন সময় লাগতে পারে। এক্ষেত্রে সাম্প্রতিক সময়ে দেয়া শুল্ক পরিশোধের বিষয়গুলো আগে প্রাধান্য পাবে।